সিদ্ধিরগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ী পরিবারের ওপর হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সিদ্ধিরগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ বাঙ্গালী ও তার পরিবারের ওপর হামলা, মারধর, শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং দোকান লুটপাটের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মাসুদের স্ত্রী আসমা (৩৬)।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ২টায় সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকার আবেদ মেম্বারের বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আসমা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মাসুদ বাঙ্গালী দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় মাছের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি তাদের দোকান উচ্ছেদের নামে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও চাঁদা দাবি করে আসছিল।

তিনি বলেন, গত ১০ মে দুপুরে যুবদল নেতা শহিদুল, বিএনপি নেতা এম এ হালিম জুয়েল, রাসেল, শেখ জামাল, উজ্জ্বল ও অপুসহ অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জন তাদের মাছের দোকানে গিয়ে দোকান সরিয়ে নিতে চাপ প্রয়োগ করে। তারা বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুদকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আসমা আরও বলেন, স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে তাকেসহ তার মেয়েদেরও মারধর করা হয় এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালানো হয়।

হামলাকারীরা দোকান থেকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মাছ লুট করে এবং দোকানপাট ভাঙচুর চালিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আসমা বলেন,
“আমার বড় মেয়ে আড়াই মাস আগে কিডনি রোগে মারা গেছে। সেই শোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এখন তিন মেয়েকে নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমরা নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার চাই।”

ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ বাঙ্গালী বলেন,
“আমি ১৭ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করি। কখনো কারও সঙ্গে ঝামেলা হয়নি। আমার দোকান দখলের উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, মেয়ের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিভিন্ন হাসপাতালে দৌড়ঝাঁপ করেছেন। বর্তমানে পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস এই মাছের ব্যবসা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে জানায়, বারবার থানা পুলিশকে ফোন করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আইনগত সহায়তা পায়নি তারা। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ বাঙ্গালী ও তার পরিবারের ওপর হামলা, মারধর, শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং দোকান লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ২টায় সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকার আবেদ মেম্বারের বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মাসুদ বাঙ্গালীর স্ত্রী আসমা (৩৬)। পরে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আসমা বলেন, তার স্বামী মাসুদ বাঙ্গালী প্রায় ১৭ বছর ধরে সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় মাছের ব্যবসা করে আসছেন। সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি দোকান উচ্ছেদের কথা বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবি করে আসছিল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ১০ মে দুপুরে যুবদল নেতা শহিদুল, বিএনপি নেতা এম এ হালিম জুয়েল, রাসেল, শেখ জামাল, উজ্জ্বল ও অপুসহ অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জন তাদের দোকানে গিয়ে দোকান সরিয়ে নিতে চাপ দেয়। তারা বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার কথা জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্বামীকে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করে।
আসমার দাবি, স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে তাকেসহ তার মেয়েদেরও মারধর করা হয় এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালানো হয়। হামলাকারীরা দোকান থেকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় এবং দোকানপাট ভাঙচুর করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আসমা বলেন, “আমার বড় মেয়ে আড়াই মাস আগে কিডনি রোগে মারা গেছে। সেই শোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এখন তিন মেয়েকে নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমরা নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার চাই।”
মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ বাঙ্গালী বলেন, “আমি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। কখনো কারও সঙ্গে বিরোধ হয়নি। দোকান দখলের উদ্দেশ্যেই আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, মেয়ের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিন বিভিন্ন হাসপাতালে ছুটতে হয়েছে। বর্তমানে মাছের ব্যবসাটিই তাদের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে জানায়, ঘটনার সময় একাধিকবার থানা পুলিশকে ফোন করলেও তাৎক্ষণিক কোনো সহায়তা পায়নি তারা। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সর্বশেষঃ