মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি সময় পৃথক অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ১০ জন গ্রেপ্তার,

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, শিমরাইল ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকা, পুলিশের টহল, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের ক্লোজ শট।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গভীর রাতে পৃথক অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাতজনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ধারালো অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে শিমরাইল ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগে থেকেই মহাসড়কের ওই অংশে অবস্থান নেয় আভিযানিক দল। সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের পর ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাতজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মো. সাগর (২৬), সুজন (২৩), মো. ইকবাল হোসেন (৪০), মো. রাসেল মিয়া (৫০), মো. মিলন (৩৬), মো. ইমরান (২৪) ও মো. আলামিন (৩৭)। তারা সবাই সিদ্ধিরগঞ্জ ও আশপাশ এলাকার বাসিন্দা।

আসামিদের কাছ থেকে একটি কালো রঙের বড় ছুরি, একটি স্টিলের ধারালো চাকু এবং তিনটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর দৈর্ঘ্য ৯ থেকে ১৪ ইঞ্চির মধ্যে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, এসব অস্ত্র ব্যবহার করে মহাসড়কে চলাচলরত যানবাহনে ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল তাদের।

একই রাতে পৃথক আরেক অভিযানে এসআই মো. বজলুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় ৫০ পুরিয়া হেরোইনসহ মো. বিপ্লব হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেন। এছাড়া সাজাপ্রাপ্ত সিআর ও জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১০ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-এর পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন—
“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি আভিযানিক দল সেখানে অবস্থান নেয়। মহাসড়কের ওপর ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাতজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। অন্যান্য মামলার আরও তিনজনসহ মোট ১০ আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ঈদ সামনে রেখে মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্থানীয় ট্রাক স্ট্যান্ড ও শিল্পাঞ্চল ঘিরে টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষঃ