নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজের একদিন পর সৈকত (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন থাকায় শিশুটিকে হত্যার আগে নির্যাতন করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বিকেলে উত্তর নরসিংপুর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত স্থানে, হাসেম স্পিনিং মিলের পাশ থেকে স্থানীয়রা মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত সৈকত গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বড় গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা রঞ্জু মিয়ার ছেলে। তার বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং মা গার্মেন্টস কর্মী। তারা পরিবারসহ ফতুল্লার উত্তর নরসিংপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
শিশুটির পরিবারের দাবি, প্রতিবেশীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শিশুটির মরদেহ মাথা থেঁতলানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার আগে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান বলেন, “মরদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।”
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।




