নারায়ণগঞ্জে ভুলতা-গাউছিয়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন ও বড় বড় খানাখন্দের কারণে বিকল্প পথে যানবাহনের চাপ বেড়ে তিন মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়েজুড়ে ধীরগতির যান চলাচল দেখা যায়। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।
দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, মদনপুর, কাঁচপুর, শিমরাইল ও সাইনবোর্ড এলাকায় থেমে থেমে যান চলাচল করছে। পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, দূরপাল্লার বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে দেখা যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা।
চালকরা জানান, ভুলতা-গাউছিয়া সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় ওই সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অধিকাংশ যানবাহন এশিয়ান হাইওয়ে হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উঠে আসে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামাল দিতে না পারায় পুরো এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এক ট্রাকচালক বলেন, “ভুলতা সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। তাই বাধ্য হয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করছি। কিন্তু এখানেও দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকদিন ধরেই ভুলতা-গাউছিয়া সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে বিকল্প সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। দ্রুত সড়ক সংস্কার না করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক(ওসি) মো. শামীম শেখ কালের কন্ঠকে বলেন, ভুলতা-গাউছিয়া সড়কের ভাঙনের কারণে বিপুল সংখ্যক যানবাহন বিকল্প পথে চলাচল করায় তিন মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য কাজ করছেন। যান চলাচল স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চলছে। তবে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকায় পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে।”




