চিকিৎসা করতে গিয়েছিলেন মালয়েশিয়া, সেখানেই শুনতে পারলেন তার বিরুদ্ধে হয়েছে হত্যা মামলা। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মামুন হোসাইন হত্যা মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে ব্যবসায়ী আক্তার হোসেনকে। কিন্তু তিনি তখন ছিলেন প্রবাসে।
সোমবার (১ জুন) দুপুরে নিজের দুঃখের বিষয় খবর নারায়ণগঞ্জকে জানান মালেয়েশিয়া ফেরত ব্যাবসায়ী আকতার হোসেন।
আকতার হোসেন জানান, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর চিকিৎসার জন্য দেশ ত্যাগ করেন এবং ২০২৬ সালের ১০ মার্চ দেশে ফেরেন। অন্যদিকে, মামুন হোসাইন ২০২৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ফতুল্লার পূর্ব লালপুর রেললাইন এলাকায় গুলিতে নিহত হন।
আকতার হোসেনের দাবি, হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন রেকর্ড যাচাই করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। এরপরও তাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তার বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। পরে তাকে ও তার স্বজনদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হয়েছে।
আকতার হোসেন বলেন, “মামুন হত্যার সময় আমি মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন ছিলাম। পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশনের তথ্যেই তা প্রমাণিত। তারপরও আমাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।”
আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, অভিযুক্তের বিদেশে অবস্থানের বিষয়টি পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন রেকর্ডে নিশ্চিত হলে তদন্তে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
প্রসঙ্গত, মামুন হোসাইন হত্যা মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে তদন্ত সংস্থার চূড়ান্ত প্রতিবেদনই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, বিভিন্ন মামলায় আসামি করার ভয় দেখিয়ে একটি চক্র চাঁদাবাজির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।




